নিজস্ব প্রতিবেদক
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে আসা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির প্রবীণ নেতা আবদুল মঈন খান। খালেদা জিয়া সরকারের সময়ে ২০০১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মঈন খান বর্তমানে নরসিংদী–২ আসনের এমপি।
আন্দালিভ রহমান পার্থ বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ভোট করে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোলা–১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাকে তথ্য ও সম্প্রচার ন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হচ্ছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন। গত আড়াই মাস ধরে খালি থাকা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাচিং প্রু জেরী। এর আগে ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনেও তিনি এমপি হয়েছিলেন। বান্দরবান সদর উপজেলা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও সামলেছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রতিমন্ত্রী থেকে পদোন্নতি পাওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়েরই মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আর বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।
নতুন প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
আর প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসা হুমায়ুন কবিরকে পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। কিন্তু ওই মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এক মন্ত্রণালয়ে দুইজন প্রতিমন্ত্রী থাকলে তো অসুবিধা নেই।’
Leave a Reply